← সংবাদে ফিরে যান
নারী অধিকার প্রকাশিত: 11 Aug 2026

পুরনো ধর্মীয় আইনে বাংলাদেশের হিন্দু নারীরা বিবাহবিচ্ছেদ ও সমান উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত

একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের হিন্দু নারীদের আইনি বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মুসলিম বা খ্রিস্টান নারীদের মতো হিন্দু নারীদের আইনি বিবাহবিচ্ছেদের কোনো অধিকার নেই, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাবার সম্পত্তিতে তাদের সমান উত্তরাধিকারও নেই। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও হিন্দু পারিবারিক আইন এখনো মূলত অসংশোধিত, অলিখিত শাস্ত্রীয় বিধানের ওপর নির্ভরশীল, যার অধিকাংশ পরিবর্তন ব্রিটিশ আমলে হয়েছিল। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের বনশ্রী মিত্র নিয়োগী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা সংবিধানের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা এবং ধর্মীয় পারিবারিক আইনের প্রয়োগের মধ্যে স্ববিরোধিতার কথা উল্লেখ করেছেন। ২০১২ সালে পাস হওয়া হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইনে শুধু বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হলেও, বিবাহবিচ্ছেদ ও সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই, এবং নিবন্ধন ঐচ্ছিক হওয়ায় নিবন্ধন ছাড়াও বিয়ে বৈধ থাকে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী মাসুদা রেহানা বেগম এই আইনকে সম্পূর্ণ অপূর্ণাঙ্গ বলে অভিহিত করেছেন, এবং জানিয়েছেন যে অনেক জেলা ও উপজেলায় আইন অনুযায়ী নির্ধারিত বিবাহ নিবন্ধকও নিয়োগ করা হয়নি। সামাজিক লজ্জার কারণে নাম প্রকাশ না করা এক ভুক্তভোগী নারী তার নির্যাতনমূলক দাম্পত্য জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, যেখানে আইনি বিবাহবিচ্ছেদের কোনো সুযোগ ছিল না। দেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ হিন্দু জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও, ২০১২ সালের আইনের অধীনে কতগুলো বিবাহ নিবন্ধিত হয়েছে তার কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই, যা এই অমীমাংসিত আইনি সংকটের ব্যাপ্তি নির্দেশ করে।

দ্রষ্টব্য: এই সারসংক্ষেপটি বহিরাগত উৎস থেকে একটি এআই মডেল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি কোনো মানব সম্পাদক দ্বারা পর্যালোচনা করা হয়নি। তথ্য যাচাইয়ের জন্য মূল নিবন্ধে ক্লিক করুন।

সূত্রসমূহ